স্টোরেজের এমন একটা জায়গায় এসে আমরা পৌঁছেছি যেখানে আমরা দেখতেছি যে ভাই 60 ৳70000 দামের ফোনেও 118 জিবি স্টোরেজ।
এখানে ইউএমসিপি টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে যেটা Samsung এর আবিষ্কার এবং এই ফোনের স্পিড এতই বেশি যে 7250র মত চিপসেট ব্যবহার করে আমরা 5 লাখের উপরে আন্ট স্কোর পেয়েছি।
প্রেজেন্টিং অকিiteটেল সি6 জিবি ফিজিক্যাল র্যাম 512 জিবি ফিজিক্যাল স্টোরেজ। 6.73 ইঞ্চির 120 হজ ডিসপ্লে।
সঙ্গে এনএফসিও রয়েছে 64 মেগাপিক্সেলের ক্যামেরাও রয়েছে।
অকিটেল ব্র্যান্ডের নাম কিন্তু আপনারা অনেকেই হয়তো শুনেছেন। এর আগে কিন্তু হিউজ পপুলার ছিল আমাদের দেশে।
এটার রেয়ার প্যানেলে ক্রস্ট গ্লাস ব্যবহার করা হয়েছে। যেটা ম্যাট ফিনিশ ফলে হাতের ছাপ খুব একটা লাগে না।
ওয়েট ডিস্ট্রিবিউশন যথেষ্ট ভালো। যেহেতু বড় ফোন ওয়েটটা চারিদিকে ছড়িয়ে যায়। সো দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলেও খুব বেশি আনকমফোর্টেবল ফিল করবেন না।
512 জিবি স্টোরেজ তারপরেও ভাই মেমোরি কার্ড ইউজ করা যায় এতে দুইটা সিম ব্যবহার করার পরেও। সো ব্যাপারটা আসলে ইন্টারেস্টিং কারণ আজকাল অনেক ফোনে আমরা দেখতেছি যে 128 জিবি স্টোরেজ মেমোরি কার্ড স্লটই নাই। সো এইটারে একটা স্টোরেজ মনস্টার কিন্তু বলা যেতে পারে।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরটা পাওয়ার বাটনের সঙ্গে মার্চ করা।
6.73 ইঞ্চির একটা এইচডি প্লাস প্যানেল। কালার যথেষ্ট পাঞ্ছি এবং কালার শিফটিং ইস্যু নাই। আর যেহেতু 120 হজ রিফ্রেশ রেট আছে। মোটামুটি স্ক্রলিং সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং করে আরাম পাওয়া যায়।
বেশ বড় সড় ডিসপ্লে হয় মাল্টিমিডিয়া কনজামশন করে অনেক আরাম পাবেন। বিশেষ করে গেমিং এর সময় বা YouTube এ যখন ভিডিও দেখবেন ইমারসিভ একটা ফিল পাবেন।
এই চিপসেট দেওয়া যতগুলো ফোন আমরা এই পর্যন্ত রিভিউ করছি তার মধ্যে সবচাইতে বেশি স্কোর আসছে হচ্ছে অকিটেল সিক্স 66.
এর চিপের মধ্যে র্যামও থাকে আবার স্টোরেজও থাকে। এটা Samsung এর একটা ইনভেনশন এবং Samsung তাদের প্রচুর ফোনে এই টেকনোলজিটা ইউজ করে। এই কারণে স্পিড কিন্তু অনেক ভালো।
22 হাজার টাকায় আপনি 128 জিবির উপরে পাবেন না ভাই খুব একটা মানে এইটা ইদানিং আমরা একটা ট্রেন্ড দেখতে পারতেছি ম্যাক্সিমাম 128 জিবি আমরা অফিশিয়াল ৳60 দামের ফোনেও দেখেছি 128 জিবি স্টোরেজ
আমরা সারপ্রাইজ হয়েছি এটার বেঞচমার্ক টেস্টিং এ এসে। আনটুতে স্কোর এসেছে 5 লাখ39669।
এটার ক্যামেরা পেছনে 64 মেগাপিক্সেল আছে। যেটা আবার একটা অমনিভিশন লেন্স।
18 ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট পাবেন।
এই ফোনে এনএফসি আছে। এনএফসিটা আমরা ইদানিং বেশি জোর দিয়ে বলতেছি কারণ আমাদের দেশে কিন্তু এনএফসির ব্যবহার শুরু হয়ে গিয়েছে। এখন কিন্তু আমরা ফোন ট্যাপ করে পেমেন্ট করতে পারি এবং মেট্রো রেলেও কিন্তু দেখবেন খুব শীঘ্রই কার্ড ট্যাপ না করে ফোন ট্যাপ করে আপনি যেতে পারবেন এবং বাসেও কিন্তু ভাড়া দেওয়ার সুযোগ খুব শীঘ্রই আমাদের দেশে চালু হবে। সো এনএফসি যদি আপনার ফোনে থাকে তাহলে এটা একটা আধুনিক ফোন সেটা বলা যেতে পারে।
কল কোয়ালিটি যথেষ্ট ভালো। আমার কাছে লাউড এবং ক্লিয়ার মনে হলো এবং নেটওয়ার্ক রিসিপশন যথেষ্ট ভালো মনে হয়েছে।
আপনার যদি অনেক বড় স্টোরেজের ফোন দরকার হয় আবার সঙ্গে মেমোরি কার্ডও ইউজ করবেন। আট জিবি র্যাম দরকার ফিজিক্যাল র্যাম্পিড ভালো দরকার। মোটামুটি পারফর্ম করে এরকম একটা স্টাইলিশ ফোন দরকার অফিশিয়াল। তাহলে আমার মনে হয় এই ফোনটাকে ছুইতে পারবে না কেউ এই মুহূর্তে।
সো স্টোরেজ চাইলে এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সেরা অপশন হচ্ছে অকিটেল সি6।